∆ ভারতের কোন রাজ্যে সর্বাধিক চিনি উৎপাদিত হয় ?
Anonymous Quiz
7%
A. তামিলনাড়ু
69%
B. উত্তরপ্রদেশ
15%
C. অন্ধ্রপ্রদেশ
9%
D. মহারাষ্ট্র
🔥5👍4👌2🤩1
Q. রাষ্ট্রপতি-প্রধান সরকারে যা থাকে-
Anonymous Quiz
7%
(a) দায়িত্বে থাকার নির্দিষ্ট সময়
38%
(b) প্রশাসন ও পরিষদীয় ব্যবস্থা কেউই কারওর উপর হস্তক্ষেপ করে না
16%
(c) জনপ্রিয় ভােটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির নির্বাচন
38%
(d) সবকটিই
🔥4👍2🤩2👌2❤1
Q. নিম্নলিখিত কোন্ খােদিত লিপিটিতে চালুক্য রাজা দ্বিতীয় পুলকেশির সঙ্গে সম্বন্ধিত?
Anonymous Quiz
5%
(a) মাস্কি
42%
(b) হাতিগুম্ফা
46%
(c) আইহােল
6%
(d) নাসিক
🔥5👍4🤩2👏1
Q. নিম্নলিখিত কোন্ শাসক মনসবদারি ব্যবস্থার প্রবর্তন করেছিলেন
Anonymous Quiz
7%
(a) শাজাহান
22%
(b) শেরশাহ
67%
(c) আকবর
4%
(d) জাহাঙ্গির
🔥6👏4👍2🤩1
∆ ' মনসব' কথাটির অর্থ হল —
Anonymous Quiz
6%
A. সেনানায়ক
77%
B. পদ বা পদমর্যাদা
16%
C. ভূমিদান
2%
D. ধর্মগ্রন্থ
👍6🔥3🤩1
∆ ভারতীয় সংবিধানের কোন ধারায় ভারতের নাম ও ভূখণ্ডকে নির্দিষ্ট করা হয়েছে ?
Anonymous Quiz
49%
A. 1 নং
27%
B. 2 নং
18%
C. 3 নং
6%
D. 4 নং
🤯6👍2🤩1
Q. বাংলা ভাষায় প্রথম সংবাদপত্রের নাম কী?
Anonymous Quiz
66%
(A) সমাচার দর্পণ
19%
(B) সংবাদ কৌমুদী
10%
(C) সংবাদ প্রভাকর
5%
(D) তত্ত্ববােধিনী পত্রিকা
👍10🤩1
Q. প্রাচীন ভারতে কে অমিত্রঘাত’ উপাধি ধারণ করেছিলেন?
Anonymous Quiz
24%
(A) অজাতশত্রু
19%
(B) চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
53%
(C) বিন্দুসার
4%
(D) অশােক
👍6🤩2
Q. প্রার্থনা সমাজ স্থাপিত হয় কোথায়?
Anonymous Quiz
33%
(a) বম্বেতে
35%
(b) মাদ্রাজে
29%
(c) কলকাতায়
3%
(d) দিল্লিতে
🤣7👍6😱4🤩2
⚡যে স্থান থেকে নদীর সৃষ্টি হয় তাকে কি বলে?
Anonymous Quiz
65%
নদী উৎস
17%
নদী উপত্যকা
16%
নদীর মোহনা
1%
কোনটাই নয়
👍11🤩3
দক্ষিণ ভারতে অবস্থিত একমাত্র মহাজনপদ ছিল?
Anonymous Quiz
22%
অবন্তী
26%
গান্ধার
10%
পাঞ্চাল
43%
অস্মক
🔥6👍2🤩1
পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন?
Anonymous Quiz
21%
রাষ্ট্রপতি
22%
উপরাষ্ট্রপতি
14%
অর্থমন্ত্রী
43%
প্রধানমন্ত্রী
👍7🤩2
🤩3🤯2👌1
আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের প্রধান বন্দর কোনটি ?
Anonymous Quiz
7%
মারগাঁও
14%
তুতিকোরিন
69%
পোর্ট ব্লেয়ার
10%
বিশাখাপত্তনমনা
❤5🤩2👍1
❇️ 14 August
🕊 Partition Horror Remembrance Day
"দেশভাগের ভয়াবহ স্মৃতি দিবস"
🔷 এটি ভারত বিভক্তির সময় ভুক্তভোগী এবং মানুষের দুর্ভোগকে স্মরণ করে।
🔶 15 আগস্ট 2021-এ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘোষণা করেছিলেন।
🔶 1947 সালে ভারত বিভক্তি ব্রিটিশ ভারতকে দুটি স্বাধীন রাজ্যে বিভক্ত করে: ভারত এবং পাকিস্তান।
🔷 বিভাজনটি ভারতীয় স্বাধীনতা আইন 1947-এ রূপরেখা দেওয়া হয়েছিল
🔶ভারতের অধিরাজ্য আজ ভারতীয় প্রজাতন্ত্র (1950 সাল থেকে)
🔸পাকিস্তানের ডোমিনিয়ন গঠিত হয়েছিল যা আজ ইসলামিক রিপাবলিক অফ পাকিস্তান নামে পরিচিত (1956 সাল থেকে)
🔸গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ (১৯৭১ সাল থেকে)।
🔷কোন তারিখে ভারত বিভক্তি ঘোষণা করা হয়েছিল - 3রা (জুন 1947)
🔶 ভারত ভাগের বলকান পরিকল্পনা উপস্থিত ছিল - লর্ড মাউন্টব্যাটেনের মস্তিষ্ক।
🕊 Partition Horror Remembrance Day
"দেশভাগের ভয়াবহ স্মৃতি দিবস"
🔷 এটি ভারত বিভক্তির সময় ভুক্তভোগী এবং মানুষের দুর্ভোগকে স্মরণ করে।
🔶 15 আগস্ট 2021-এ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘোষণা করেছিলেন।
🔶 1947 সালে ভারত বিভক্তি ব্রিটিশ ভারতকে দুটি স্বাধীন রাজ্যে বিভক্ত করে: ভারত এবং পাকিস্তান।
🔷 বিভাজনটি ভারতীয় স্বাধীনতা আইন 1947-এ রূপরেখা দেওয়া হয়েছিল
🔶ভারতের অধিরাজ্য আজ ভারতীয় প্রজাতন্ত্র (1950 সাল থেকে)
🔸পাকিস্তানের ডোমিনিয়ন গঠিত হয়েছিল যা আজ ইসলামিক রিপাবলিক অফ পাকিস্তান নামে পরিচিত (1956 সাল থেকে)
🔸গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ (১৯৭১ সাল থেকে)।
🔷কোন তারিখে ভারত বিভক্তি ঘোষণা করা হয়েছিল - 3রা (জুন 1947)
🔶 ভারত ভাগের বলকান পরিকল্পনা উপস্থিত ছিল - লর্ড মাউন্টব্যাটেনের মস্তিষ্ক।
👍22❤8
🇮🇳ভারতের জাতীয় পতাকা হিসেবে তেরঙা কবে গৃহীত হয়?
Anonymous Quiz
61%
A]22 জুলাই, 1947
28%
B]26 জানুয়ারি, 1950
8%
C]2 অক্টোবর, 1947
4%
D]4 জুলাই, 1948
🔥14👍5❤1🤩1
আজ 15 অগাস্ট
🚀 ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশন
(ISRO) 15 অগাস্ট, 1969-এ পারমাণবিক শক্তি বিভাগের (DAE) অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
🚀এটি ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কমিটি ফর স্পেস রিসার্চ (INCOSPAR)-কে প্রতিস্থাপন করেছে, যা 1962 সালে ভারত সরকার দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
🇮🇳 ইসরো মহাকাশ প্রযুক্তিতে ভারতকে বিশ্বদরবারে উন্নীত করার জন্য গঠিত হয়েছিল।
🚀 ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশন
(ISRO) 15 অগাস্ট, 1969-এ পারমাণবিক শক্তি বিভাগের (DAE) অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
🚀এটি ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কমিটি ফর স্পেস রিসার্চ (INCOSPAR)-কে প্রতিস্থাপন করেছে, যা 1962 সালে ভারত সরকার দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
🇮🇳 ইসরো মহাকাশ প্রযুক্তিতে ভারতকে বিশ্বদরবারে উন্নীত করার জন্য গঠিত হয়েছিল।
👍14🔥4❤2
✅ মানুষের চক্ষুর প্রধান অংশ ও কাজ 👁
1▪️করনিয়া = প্রতিসারক মাধ্যমরুপে আলোক রশ্মিকে কেন্দ্রীভূতকরে।
2▪️কনজাংটিভা = করণিয়াকে রক্ষা করে।
3▪️ কোরয়েড = রেটিনাকে রক্ষা করে ও বিচ্ছুরিত আলোকের প্রতিফলন রোধ করে।
4▪️রেটিনা = বস্তুর প্রতিবিম্ব গঠনে সাহায্য করে।
5▪️আইরিশ = তারারন্ধ্রকে বা পিউপিলকে ছোট ও বড় হতে সাহায্য করে।
6▪️সিলিয়ারি বডি = লেন্সের উপযোজনে সাহায্য করে।
7▪️লেন্স = আলোর প্রতিসরন করে আলোক রশ্মিকে রেটিনার উপর কেন্দ্রীভূত করে।
8▪️পিউপিল = এর মাধ্যমে চোখে আলোক রশ্মি প্রবেশ করে।
9▪️ব্লাইন্ড স্পট বা অন্ধবিন্দু = এখানে কোন প্রতিবিম্ব গঠিত হয় না।
10▪️ ইয়োলো স্পট বা পীতবিন্দু = এখানে প্রতিবিম্ব গঠন সবচেয়ে ভালো হয়।
11▪️রড কোশ ( রেটিনায় অবস্থিত) = মৃদু আলো শোষন করে।
12▪️কোন্ কোশ ( রেটিনায় অবস্থিত) = উজ্জ্বল আলো ও বর্ন শোষন করে।
⚫️একনেত্র দৃষ্টি : যে সমস্ত প্রানীদের একনেত্র দৃষ্টি দেখা যায় = ব্যাঙ, গরু, ঘোড়া, প্যাঁচা।
⚫️দ্বিনেত্র দৃষ্টি : দ্বিনেত্র দৃষ্টি দেখা যায় = মানুষ।
⚫️ মায়োপিয়া : যে দৃষ্টিতে দূরের দৃষ্টি ব্যাহত হয় কিন্তু নিকটের দৃষ্টি ঠিক থাকে তাকে মায়োপিয়া বলে।
➖প্রতিকার : মায়োপিয়া দূর করতে অবতল লেন্স ( Concave glass) নির্মিত চশমা ব্যবহার করা হয়।
⚫️ হাইপার মেট্রোপিয়া : যে দৃষ্টিতে দূরের দৃষ্টি ঠিক থাকে কিন্তু নিকটের দৃষ্টি ব্যহত হয় তাকে হাইপার মেট্রোপিয়া বলে।
➖প্রতিকার : হাইপার মেট্রোপিয়া দূর করতে উত্তল লেন্স ( Convex glass) দিয়ে তৈরি চশমা ব্যবহার করা হয়।
💥 Join Telegram👉
https://telegram.me/sparrow_academy
🔺গ্লুকোমা রোগটি যুক্ত = চোখের সাথে।
🔺অপটিক স্নায়ু থাকে = চোখে।
🔺যে গ্রন্থি চোখের পাতাগুলিকে জুড়তে দেয় না
= মেবোমিয়ান গ্রন্থি।
🔺যে রঞ্জক থাকায় চোখের কোরয়েডের রং কালো হয় = মেলানিন
🔺 মানুষের চোখ পূর্ন আকার লাভ করে
= 13 বছর বয়সে।
🔺 অশ্রুতে অবস্হিত যে উৎসেচক জীবাণু ধ্বংস করে = লাইসসোজাইম।
🔺অন্ধকারে দেখতে সাহায্য করে = রডকোশ।
🔺যে সমস্ত প্রানীদের পুঞ্জাক্ষি দেখা যায়
= মৌমাছি, মশা, মাছি ।
🔺কুকুর, বিড়াল অল্প আলোতে স্পষ্ট দেখতে পাওয়ার কারন = রেটিনায় রড কোষের সংখ্যা বেশী থাকে বলে।
🔺সরলাক্ষি দেখা যায় = মাকড়সার।
🔺চোখ আলোক তরঙ্গ গ্রহণ করতে পারে
= 400 nm - 700 nm .
🔺চোখের মনির রং নির্ভর করে = আইরিসের রংয়ের উপর।
🔺 মানব দেহের ক্ষুদ্রতম পেশী যা চোখে অবস্থিত
= সিলিয়ারী পেশী।
🔺 কুকুর, বিড়াল প্রভৃতি নিশাচর প্রানী লাল, নীল ও সবুজ রং দেখতে না পাওয়ার কারণ
= কোন কোশের সংখ্যা কম থাকে বলে।
🔺 চোখে কনজাংটিভা রোগটি হয় = ভাইরাস সংক্রমনে।
🔵চক্ষুর পরীক্ষা করার যন্ত্রগুলো =
1. রেটিনোস্কোপ, 2.অপথ্যালমোমিটার ,
3. অপথ্যালোমোস্কোপ।
🔵বর্ণন্ধতা তিন প্রকারের :
1. প্রোটোনোপিয়া = লাল রং সনাক্ত করতে না পারা।
2. ডিউটোরোনোপিয়া = সবুজ রং সনাক্ত করতে না পারা।
3. ট্রাইট্যানোপিয়া = নীল রং সনাক্ত করতে না পারা।
💝 Study Material পেতে এবং মকটেস্ট দিতে আমাদের Telegram-এ যুক্ত হতে এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 CLICK Here
1▪️করনিয়া = প্রতিসারক মাধ্যমরুপে আলোক রশ্মিকে কেন্দ্রীভূতকরে।
2▪️কনজাংটিভা = করণিয়াকে রক্ষা করে।
3▪️ কোরয়েড = রেটিনাকে রক্ষা করে ও বিচ্ছুরিত আলোকের প্রতিফলন রোধ করে।
4▪️রেটিনা = বস্তুর প্রতিবিম্ব গঠনে সাহায্য করে।
5▪️আইরিশ = তারারন্ধ্রকে বা পিউপিলকে ছোট ও বড় হতে সাহায্য করে।
6▪️সিলিয়ারি বডি = লেন্সের উপযোজনে সাহায্য করে।
7▪️লেন্স = আলোর প্রতিসরন করে আলোক রশ্মিকে রেটিনার উপর কেন্দ্রীভূত করে।
8▪️পিউপিল = এর মাধ্যমে চোখে আলোক রশ্মি প্রবেশ করে।
9▪️ব্লাইন্ড স্পট বা অন্ধবিন্দু = এখানে কোন প্রতিবিম্ব গঠিত হয় না।
10▪️ ইয়োলো স্পট বা পীতবিন্দু = এখানে প্রতিবিম্ব গঠন সবচেয়ে ভালো হয়।
11▪️রড কোশ ( রেটিনায় অবস্থিত) = মৃদু আলো শোষন করে।
12▪️কোন্ কোশ ( রেটিনায় অবস্থিত) = উজ্জ্বল আলো ও বর্ন শোষন করে।
⚫️একনেত্র দৃষ্টি : যে সমস্ত প্রানীদের একনেত্র দৃষ্টি দেখা যায় = ব্যাঙ, গরু, ঘোড়া, প্যাঁচা।
⚫️দ্বিনেত্র দৃষ্টি : দ্বিনেত্র দৃষ্টি দেখা যায় = মানুষ।
⚫️ মায়োপিয়া : যে দৃষ্টিতে দূরের দৃষ্টি ব্যাহত হয় কিন্তু নিকটের দৃষ্টি ঠিক থাকে তাকে মায়োপিয়া বলে।
➖প্রতিকার : মায়োপিয়া দূর করতে অবতল লেন্স ( Concave glass) নির্মিত চশমা ব্যবহার করা হয়।
⚫️ হাইপার মেট্রোপিয়া : যে দৃষ্টিতে দূরের দৃষ্টি ঠিক থাকে কিন্তু নিকটের দৃষ্টি ব্যহত হয় তাকে হাইপার মেট্রোপিয়া বলে।
➖প্রতিকার : হাইপার মেট্রোপিয়া দূর করতে উত্তল লেন্স ( Convex glass) দিয়ে তৈরি চশমা ব্যবহার করা হয়।
💥 Join Telegram👉
https://telegram.me/sparrow_academy
🔺গ্লুকোমা রোগটি যুক্ত = চোখের সাথে।
🔺অপটিক স্নায়ু থাকে = চোখে।
🔺যে গ্রন্থি চোখের পাতাগুলিকে জুড়তে দেয় না
= মেবোমিয়ান গ্রন্থি।
🔺যে রঞ্জক থাকায় চোখের কোরয়েডের রং কালো হয় = মেলানিন
🔺 মানুষের চোখ পূর্ন আকার লাভ করে
= 13 বছর বয়সে।
🔺 অশ্রুতে অবস্হিত যে উৎসেচক জীবাণু ধ্বংস করে = লাইসসোজাইম।
🔺অন্ধকারে দেখতে সাহায্য করে = রডকোশ।
🔺যে সমস্ত প্রানীদের পুঞ্জাক্ষি দেখা যায়
= মৌমাছি, মশা, মাছি ।
🔺কুকুর, বিড়াল অল্প আলোতে স্পষ্ট দেখতে পাওয়ার কারন = রেটিনায় রড কোষের সংখ্যা বেশী থাকে বলে।
🔺সরলাক্ষি দেখা যায় = মাকড়সার।
🔺চোখ আলোক তরঙ্গ গ্রহণ করতে পারে
= 400 nm - 700 nm .
🔺চোখের মনির রং নির্ভর করে = আইরিসের রংয়ের উপর।
🔺 মানব দেহের ক্ষুদ্রতম পেশী যা চোখে অবস্থিত
= সিলিয়ারী পেশী।
🔺 কুকুর, বিড়াল প্রভৃতি নিশাচর প্রানী লাল, নীল ও সবুজ রং দেখতে না পাওয়ার কারণ
= কোন কোশের সংখ্যা কম থাকে বলে।
🔺 চোখে কনজাংটিভা রোগটি হয় = ভাইরাস সংক্রমনে।
🔵চক্ষুর পরীক্ষা করার যন্ত্রগুলো =
1. রেটিনোস্কোপ, 2.অপথ্যালমোমিটার ,
3. অপথ্যালোমোস্কোপ।
🔵বর্ণন্ধতা তিন প্রকারের :
1. প্রোটোনোপিয়া = লাল রং সনাক্ত করতে না পারা।
2. ডিউটোরোনোপিয়া = সবুজ রং সনাক্ত করতে না পারা।
3. ট্রাইট্যানোপিয়া = নীল রং সনাক্ত করতে না পারা।
💝 Study Material পেতে এবং মকটেস্ট দিতে আমাদের Telegram-এ যুক্ত হতে এই লিংকে ক্লিক করুন 👉 CLICK Here
👍33❤2🔥1