Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
একটা দলে কমবেশি চোর,ছ্যাঁচোর থাকে সব দলেই থাকে কিন্তু ধর্ষক,চোর, ক্রিমিনালদের নিয়ে গোটা একটা দল তৃনমূল।
😢7🕊1
This is how India lost reputation internationally on the internet.
The reputation of India and Indians has been damaged a lot, some Pakistanis and Bangladeshis are also involved in this who call their dirty videos as Indian.
We need a department which does something to stop the growing hatred towards Indians on the internet, like if an Indian makes a dirty video which can bring bad name, it should be removed from the internet as soon as possible.
The reputation of India and Indians has been damaged a lot, some Pakistanis and Bangladeshis are also involved in this who call their dirty videos as Indian.
We need a department which does something to stop the growing hatred towards Indians on the internet, like if an Indian makes a dirty video which can bring bad name, it should be removed from the internet as soon as possible.
👍10🤡2
Forwarded from Perplexity
Absolutely, Anish Deb’s "Teish Ghonta Shaat Minute" has a wild backstory just like Squid Game! The novel started serializing in 2004 Puja edition of Kishor Bharati, but Deb struggled to finish it—so it ran in parts across 2005, 2006, 2007, and 2008, with the ending still elusive and readers begging for closure. 😅
It finally wrapped up in 2009 after years of suspense, much like how Squid Game sat on the shelf for a decade before becoming a hit—both stories took ages to see the light of day! Have you read "Teish Ghonta Shaat Minute" or listened to the Sunday Suspense adaptation yet?
It finally wrapped up in 2009 after years of suspense, much like how Squid Game sat on the shelf for a decade before becoming a hit—both stories took ages to see the light of day! Have you read "Teish Ghonta Shaat Minute" or listened to the Sunday Suspense adaptation yet?
❤3🤯2🔥1
Born in 1945 in Iran, Mehran Karimi Nasseri became trapped in a legal limbo at Charles de Gaulle Airport, unable to leave due to missing identification.
He spent 18 years there, studying economics, befriending staff, and writing "The Terminal Man", which inspired Steven Spielberg's 2004 film, "The Terminal". Nasseri passed away in 2022 at the same airport.
He spent 18 years there, studying economics, befriending staff, and writing "The Terminal Man", which inspired Steven Spielberg's 2004 film, "The Terminal". Nasseri passed away in 2022 at the same airport.
😭5👍2🤔2
হিন্দি সিনেমার পরিচালকদের যদি জিজ্ঞাসা করা হয় যে বাঙালি কয় প্রকার ও কি কি? তাহলে তারা নির্দ্বিধায় বলবেন- দুই প্রকার! এক- কালচারাল ঘরানার বাঙালি আর দুই- কালাজাদু ঘরানার বাঙালি। এর বাইরে কেউ নেই, কিছু নেই!
কালচারাল ঘরানার বাঙালি আপনি দেখতে পাবেন করণ জোহর পরিচালিত “রকি অর রানি কি প্রেম কাহানি” বা করণ জোহর প্রযোজিত “আপ জ্যয়সা কোই” সিনেমায়। এই বাঙালিরা সবাই বনেদি বাড়িতে যৌথ পরিবারে থাকা বিনা কারণে হই হই করা পাব্লিক। সবার নাক টিপলে পোঁয়ের বদলে কালচার বেরোয়। সবার ঘরে দেওয়াল জোড়া রবীন্দ্রনাথ আর যামিনী রায়। আলমারির গায় হেলানো তানপুরা, খাটের পাশে এস্রাজ। এরা অফিস থাকলেও সকালে সবাই চেয়ার টেবিলকে কলা দেখিয়ে একসাথে দালানে বসে কাঁসার থালার উপরে কলাপাতা পেতে তাতে ভজহরি মান্নাতে যেমন জামাইষষ্ঠী থালি পাওয়া যায় তেমন চোদ্দরকমের পদ খায় আর একে অন্যের দিকে তাকিয়ে ভুরু নাচিয়ে মুচকি হেসে হাতের নানা মুদ্রার মাধ্যমে বুঝিয়ে দেয় যে তারা যা খাচ্ছে তা বড়ই উপাদেয়! (মনে রাখবেন এই সব হচ্ছে কিন্তু অফিস যাওয়ার আগে সকালবেলায়। যৌথ পরিবারে একসাথে দালানে বসে খাওয়া কি জিনিস তা দেখিয়েছিলেন তপন সিনহা গল্প হলেও সত্যি সিনেমায়। যাই হোক!)
এদের বাড়িতে সরস্বতী পুজোতেও ধুনুচিনাচ হয়। ঢাক বাজিয়ে মা সরস্বতীকে বিসর্জনে নিয়ে যাওয়া হয়।
এইসব বাড়িতে সকলেই চরম প্রগ্রেসিভ, বিশেষত মহিলারা! তারা ঠিক কতখানি প্রগ্রেসিভ বোঝানোর জন্য তাদের হাতে সর্বক্ষণ ওয়াইনের গ্লাস, মুখে সারাক্ষণ পলিটিক্সের কথা গুঁজে দেওয়া হয়। আর সন্ধে হলেই প্রতিটা বাড়ি এক একটা মিনি ডোভার লেন হয়ে যায়! কালচারাল ঘরানার মহিলারা বেনারসি শাড়ি আর পুরুষরা পাঞ্জাবির উপরে শাল চাপিয়ে হাজির হন সমমনস্ক কোনো কালচারাল ঘরানার বাড়ির বৈঠকখানায়! শুরু হয় রবীন্দ্রসঙ্গীত, কবিতা, সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। দুয়েকজন ভোলামন/সোনামন টাইপের গান গাওয়া বাউল জুটে গেলে ব্যাপারটা আরও জম্পেশরকমের বাঙালি-বাঙালি হয়!
আমি অন্তত আজ পর্যন্ত কোনও বাঙালি বাড়িতে সন্ধেবেলা গিয়ে দেখিনি যে বাড়ির জেঠিমা কাকিমারা হাতে মদের গেলাস নিয়ে বামেদের নৈতিক অধঃপতন বা পিসি-ভাইপোর জোচ্চুরি নিয়ে ভয়ানক আলোচনায় মত্ত রয়েছেন! প্রতি সন্ধ্যায় সব বাঙালি বাড়িতে বিয়েবাড়ির মতো সাজগোজ করে মোচ্ছব চলে, এটাও ঠিক মেনে নেওয়া যায় না!
তবু কালচারাল ঘরানা একরকম। কালাজাদু ঘরানায় তো মার মার কাট কাট ব্যাপার। এই ঘরানা দেখা যায় ভুল ভুলইয়া ৩ বা সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত কাজল অভিনীত মা সিনেমায়। এখানে বাঙালি মহিলামাত্রেই মঞ্জুলিকার বংশধর ও যাদুটোনায় সুপটিয়সী! কালীপুজোর সময় তো তাদের ধরে রাখা দায়। সবাই এলোচুলে, আন্ডারটেকারের মতো চোখ কপালে তুলে, জিভ বের করে এমন অঙ্গভঙ্গী করে নাচতে থাকে যে মনে হয় ছিন্ন নরমুণ্ড থেকে রক্তপান করতে না পারলে তারা তৃপ্ত হবে না!
সেই চরিত্র যে বাঙালি তা বোঝানোর জন্য তারা এমন অদ্ভুত উচ্চারণে বাংলা হিন্দি মিশিয়ে এক জগাখিচুড়ি ভাষায় কথা বলবে- সেইভাবে পৃথিবীতে কোনও বাঙালি কোনদিন হিন্দি বলেনি। বিনা কারণে চিল চিৎকার করে বলে উঠবে- “অব তো মা কালী কো সন্তুষ্ট করনে কে লিয়ে মেয়েদের বলিদান দেনা পড়েগা!” চোখ গোল গোল করে মাথা চাপড়ে বলবে- “সর্বনাশ! কি মুশকিল! অব তো সব (উচ্চারণ হবে শব) কুছ খুব গন্ডগোল হো জায়েগা!” এই ঘরানায় বলি, তন্ত্র, মন্ত্র, কালীপুজো আর ভয়ানক বাজে বাংলা ছাড়া আর কিছু মেলা দুষ্কর!
এখানেও ঝামেলা। আমার নিজের বাড়িতে কালীপুজো হয়। সেই পুজো শুরু হলে কখনও তো আমার মা-কাকিমাকে রক্তলোলুপ পিশাচিনীর মতো নেত্য করতে দেখিনি। কালাজাদু-টাদু জানলে অনেক ক্ষেত্রে অনেক সুবিধে হত বটে, কিন্তু আমার বাড়িতে, আমার বন্ধুবান্ধবের বাড়িতে, আমার পরিচিত কারুর বাড়িতেই এমন কোনও মহিলার সন্ধান পাইনি যিনি কিনা কালাজাদু জানেন। আমার কাকা বলেন বাংলায় নাকি একজন মহিলাই আছে যিনি কালাজাদু জানেন, কিন্তু তার নাম নিলে নাকি জেলে পুরে দেবে। কার কথা বলছিলেন কে জানে বাপু!
মোদ্দা কথা হলো- হিন্দি সিনেমাতে বাঙালি মানে এই! অন্যথা একদম নেই যে তা নয়- কিন্তু সেক্ষেত্রে পরিচালক নিজেই বাঙালি- যেমন সুজয় ঘোষের কাহানি বা অনুরাগ বসুর কিছু ছবি! তার বাইরে বাঙালি মানে হয় মদ হাতে রবীন্দ্রসঙ্গীত গাইছে বা খড়গ হাতে বলি দিতে ছুটছে!
পুনশ্চ: আজকাল মহারাষ্ট্রে মারাঠি বলতে না পারলে স্যাটাভাঙা ক্যালানি দিচ্ছে। আমি দুবছর থেকে অনেক মেজে ঘষেও ওই মাজা, তুমচা, ইকড়ে, তিথে, কায় জালার থেকে এগোতে পারিনি। তবে ভেবে রেখেছি- আমাকে মারাঠি বলে দেখাতে বললে আমি চড়-থাপ্পড় পড়ার আগেই চোখ গোল গোল করে মাথা চাপড়ে বলে দেবো-“সর্বনাশ! কি মুশকিল! অব তো শব কুছ খুব গন্ডগোল হো জায়েগা!”
কালচারাল ঘরানার বাঙালি আপনি দেখতে পাবেন করণ জোহর পরিচালিত “রকি অর রানি কি প্রেম কাহানি” বা করণ জোহর প্রযোজিত “আপ জ্যয়সা কোই” সিনেমায়। এই বাঙালিরা সবাই বনেদি বাড়িতে যৌথ পরিবারে থাকা বিনা কারণে হই হই করা পাব্লিক। সবার নাক টিপলে পোঁয়ের বদলে কালচার বেরোয়। সবার ঘরে দেওয়াল জোড়া রবীন্দ্রনাথ আর যামিনী রায়। আলমারির গায় হেলানো তানপুরা, খাটের পাশে এস্রাজ। এরা অফিস থাকলেও সকালে সবাই চেয়ার টেবিলকে কলা দেখিয়ে একসাথে দালানে বসে কাঁসার থালার উপরে কলাপাতা পেতে তাতে ভজহরি মান্নাতে যেমন জামাইষষ্ঠী থালি পাওয়া যায় তেমন চোদ্দরকমের পদ খায় আর একে অন্যের দিকে তাকিয়ে ভুরু নাচিয়ে মুচকি হেসে হাতের নানা মুদ্রার মাধ্যমে বুঝিয়ে দেয় যে তারা যা খাচ্ছে তা বড়ই উপাদেয়! (মনে রাখবেন এই সব হচ্ছে কিন্তু অফিস যাওয়ার আগে সকালবেলায়। যৌথ পরিবারে একসাথে দালানে বসে খাওয়া কি জিনিস তা দেখিয়েছিলেন তপন সিনহা গল্প হলেও সত্যি সিনেমায়। যাই হোক!)
এদের বাড়িতে সরস্বতী পুজোতেও ধুনুচিনাচ হয়। ঢাক বাজিয়ে মা সরস্বতীকে বিসর্জনে নিয়ে যাওয়া হয়।
এইসব বাড়িতে সকলেই চরম প্রগ্রেসিভ, বিশেষত মহিলারা! তারা ঠিক কতখানি প্রগ্রেসিভ বোঝানোর জন্য তাদের হাতে সর্বক্ষণ ওয়াইনের গ্লাস, মুখে সারাক্ষণ পলিটিক্সের কথা গুঁজে দেওয়া হয়। আর সন্ধে হলেই প্রতিটা বাড়ি এক একটা মিনি ডোভার লেন হয়ে যায়! কালচারাল ঘরানার মহিলারা বেনারসি শাড়ি আর পুরুষরা পাঞ্জাবির উপরে শাল চাপিয়ে হাজির হন সমমনস্ক কোনো কালচারাল ঘরানার বাড়ির বৈঠকখানায়! শুরু হয় রবীন্দ্রসঙ্গীত, কবিতা, সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। দুয়েকজন ভোলামন/সোনামন টাইপের গান গাওয়া বাউল জুটে গেলে ব্যাপারটা আরও জম্পেশরকমের বাঙালি-বাঙালি হয়!
আমি অন্তত আজ পর্যন্ত কোনও বাঙালি বাড়িতে সন্ধেবেলা গিয়ে দেখিনি যে বাড়ির জেঠিমা কাকিমারা হাতে মদের গেলাস নিয়ে বামেদের নৈতিক অধঃপতন বা পিসি-ভাইপোর জোচ্চুরি নিয়ে ভয়ানক আলোচনায় মত্ত রয়েছেন! প্রতি সন্ধ্যায় সব বাঙালি বাড়িতে বিয়েবাড়ির মতো সাজগোজ করে মোচ্ছব চলে, এটাও ঠিক মেনে নেওয়া যায় না!
তবু কালচারাল ঘরানা একরকম। কালাজাদু ঘরানায় তো মার মার কাট কাট ব্যাপার। এই ঘরানা দেখা যায় ভুল ভুলইয়া ৩ বা সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত কাজল অভিনীত মা সিনেমায়। এখানে বাঙালি মহিলামাত্রেই মঞ্জুলিকার বংশধর ও যাদুটোনায় সুপটিয়সী! কালীপুজোর সময় তো তাদের ধরে রাখা দায়। সবাই এলোচুলে, আন্ডারটেকারের মতো চোখ কপালে তুলে, জিভ বের করে এমন অঙ্গভঙ্গী করে নাচতে থাকে যে মনে হয় ছিন্ন নরমুণ্ড থেকে রক্তপান করতে না পারলে তারা তৃপ্ত হবে না!
সেই চরিত্র যে বাঙালি তা বোঝানোর জন্য তারা এমন অদ্ভুত উচ্চারণে বাংলা হিন্দি মিশিয়ে এক জগাখিচুড়ি ভাষায় কথা বলবে- সেইভাবে পৃথিবীতে কোনও বাঙালি কোনদিন হিন্দি বলেনি। বিনা কারণে চিল চিৎকার করে বলে উঠবে- “অব তো মা কালী কো সন্তুষ্ট করনে কে লিয়ে মেয়েদের বলিদান দেনা পড়েগা!” চোখ গোল গোল করে মাথা চাপড়ে বলবে- “সর্বনাশ! কি মুশকিল! অব তো সব (উচ্চারণ হবে শব) কুছ খুব গন্ডগোল হো জায়েগা!” এই ঘরানায় বলি, তন্ত্র, মন্ত্র, কালীপুজো আর ভয়ানক বাজে বাংলা ছাড়া আর কিছু মেলা দুষ্কর!
এখানেও ঝামেলা। আমার নিজের বাড়িতে কালীপুজো হয়। সেই পুজো শুরু হলে কখনও তো আমার মা-কাকিমাকে রক্তলোলুপ পিশাচিনীর মতো নেত্য করতে দেখিনি। কালাজাদু-টাদু জানলে অনেক ক্ষেত্রে অনেক সুবিধে হত বটে, কিন্তু আমার বাড়িতে, আমার বন্ধুবান্ধবের বাড়িতে, আমার পরিচিত কারুর বাড়িতেই এমন কোনও মহিলার সন্ধান পাইনি যিনি কিনা কালাজাদু জানেন। আমার কাকা বলেন বাংলায় নাকি একজন মহিলাই আছে যিনি কালাজাদু জানেন, কিন্তু তার নাম নিলে নাকি জেলে পুরে দেবে। কার কথা বলছিলেন কে জানে বাপু!
মোদ্দা কথা হলো- হিন্দি সিনেমাতে বাঙালি মানে এই! অন্যথা একদম নেই যে তা নয়- কিন্তু সেক্ষেত্রে পরিচালক নিজেই বাঙালি- যেমন সুজয় ঘোষের কাহানি বা অনুরাগ বসুর কিছু ছবি! তার বাইরে বাঙালি মানে হয় মদ হাতে রবীন্দ্রসঙ্গীত গাইছে বা খড়গ হাতে বলি দিতে ছুটছে!
পুনশ্চ: আজকাল মহারাষ্ট্রে মারাঠি বলতে না পারলে স্যাটাভাঙা ক্যালানি দিচ্ছে। আমি দুবছর থেকে অনেক মেজে ঘষেও ওই মাজা, তুমচা, ইকড়ে, তিথে, কায় জালার থেকে এগোতে পারিনি। তবে ভেবে রেখেছি- আমাকে মারাঠি বলে দেখাতে বললে আমি চড়-থাপ্পড় পড়ার আগেই চোখ গোল গোল করে মাথা চাপড়ে বলে দেবো-“সর্বনাশ! কি মুশকিল! অব তো শব কুছ খুব গন্ডগোল হো জায়েগা!”
©️ Moviemaniacs
😭7🥴2💘1
Tired of the noise? Get your news unfiltered.
Join 'India Unfiltered' for simple, fact-based news from India and the world. No bias, no opinions.
Join here:
➡️ t.me/IndiaUnfiltered
➡️ t.me/IndiaUnfiltered
Join 'India Unfiltered' for simple, fact-based news from India and the world. No bias, no opinions.
Join here:
Please open Telegram to view this post
VIEW IN TELEGRAM
👍1🥱1
.
Everyone should understand this.
Everyone should understand this.
Telegram
India Unfiltered #News
🚨 Delhi Police’s description of Bengali an insult to language in which national anthem was written: Stalin
📝 Tamil Nadu Chief Minister M.K. Stalin expressed solidarity with his West Bengal counterpart Mamata Banerjee, and objected to the Delhi Police – under…
📝 Tamil Nadu Chief Minister M.K. Stalin expressed solidarity with his West Bengal counterpart Mamata Banerjee, and objected to the Delhi Police – under…
👏2🫡2❤1